আপডেট
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts

Wednesday, December 2, 2015

জেনে নিন ইউটিউব শর্টকাট ব্যবহার


ভিডিও দেখার জন্য আমরা অনেকেই  ইউটিউব ব্যবহার করে থাকি । আজকের টিউটোরিয়ালে ইউটিউব এর কিছু প্রয়োজনীয় শর্টকাট ব্যবহার তুলে ধরবো। 

শর্টকাট কিঃ 
  • F -  F প্রেস করলে  ফুল স্কীনে ভিডিও প্লে হবে। 
  • M -M প্রেস করলে ভিডিও মিউট হয়ে যাবে ।
  • J -  ভিডিও চলার সময় J প্রেস করলে ভিডিওটি ১০ সেকেন্ড পেছন থেকে পলে হবে।
  • L - ভিডিও দেখার সময় L প্রেস করলে ভিডিওটি ১০ সেকেন্ড ফরোয়ার্ড হবে।
  • 0 -  শুন্য প্রেস করলে ভিডিওটি প্রথম থেকে শুরু হবে।
  • 1-9 -  সম্পূর্ন ভিডিওটি ৯ টি অংশে ভাগ করা থাকে , ১-৯ প্রেস করে যেকোন অংশ প্লে করা যাবে।
  •  লেফট / রাইট অ্যারো - লেফট অ্যারো প্রেস করে ৫ সেকেন্ড  পেছনে এবং রাইট অ্যারো প্রেস করে ৫ সেকেন্ড     সামনে থেকে ভিডিও প্লে হবে।
  • আপ/ডাউন অ্যারো: ভলিউম কমানো কিংবা বাড়ানো যাবে। 
  • Home: এই বাটন চাপলে ভিডিও একেবারে প্রথম থেকে শুরু হবে।
  • End: এই বাটন প্রেস করলে ভিডিও একেবারে শেষের দিকে চলে যাবে।


     

Wednesday, November 25, 2015

খুব সহজেই আপনার উইন্ডোজ ১০ আর অফিস ১৩ অ্যাক্টিভ করে নিন

 প্রথমে এখানে ক্লিক করে Windows 10 Medicine ফাইল টি ডাউনলোড করুন এবং  রার ফাইলটিকে এক্সট্রাক করুন ।
তারপর KMSAuto.exe ফাইল টি ওপেন করুন
এরপর অ্যাক্টিভ উইন্ডোজ বা অ্যাক্টিভ অফিস দিলেই আপনার উইন্ডোজ বা অফিস অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে।

Sunday, August 9, 2015

ক্রোম ব্রাউজার প্লাগিন







আমরা প্রতিদিন কোন না কোন কারনে ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকি । অনেক সময় বিভিন্ন কাজ করতে অনেক সময়  ব্যয় হয় । কিন্তু অতি কম সময়ে বিভিন্ন প্লাগিন এর মাধ্যমে ক্রোম ব্রাউজার এর মধ্যে কাজ তাড়াতাড়ি করতে পারি । তা আজ আমি বলব :

Honey: 

বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটা করার সময় যদি আমরা এ  প্লাগিনটি ব্যবহার করি তবে অনেক ছাড় পাবার সম্ভবনা আছে ।

Tab Snooze :

দরুন আপনার ব্রাউজার ওপেন করার জন্য কোনো ট্যাব এর প্রয়োজন হয় । তখন আপনি এই  প্লাগিনটি ব্যবহার করতে পারেন । যা একটি নিদিষ্ট সময়ের জন্য এ ট্যাবটি সরিয়ে রাখবে । আবার প্রযোজন মত তা ফিরিয়ে ও আনা যাবে ।

Strict Workflow:
 Strict Workflow :

হঠাং করে আপনার মনে হল আজকে পড়ালেখা করতে হবে । কিন্তু কিছুখন পর পর ঠিকই আপনি ফেসবুকে যাচ্ছেন  । এতে করে পড়ালেখার বাধা সৃস্টি হচ্ছে , অাপনি কিন্তু ইচ্ছা কররে এই প্লাগিনটি ব্যবহার করে  এই ওয়েব সাইটি ব্লক করতে পারেন ।
Strict Workflow:
Strict Workflow:
Strict Workflow:
Strict Workflow:

বাগ ও ডিবাগ কী?

বাগ কী?

বাগ মানে পোকা। বাগের কাজ হচ্ছে উল্টাপাল্টা কিছু করে আপনাকে বিরক্ত করা, যেমনঃ কানের সামনে এসে ভেনভেন করা, কামড় দেয়া, প্যান্টের ভিতর ঢুকে যাওয়া, ইত্যাদি। ডেঞ্জেরাস ব্যাপার-সেপার। এই বাগ যখন প্যান্টে না ঢুকে আপনার কোডে ঢুকে যায় তখন এটা হয় প্রোগ্রামিং বাগ।



প্রোগ্রামিং বাগ মানে বুঝায় প্রোগ্রামিং ভুলত্রুটি, যার জন্য বিভিন্ন ধরনের এরর দেখা যায়, প্রোগ্রাম উল্টাপাল্টা কাজ করে। যেমন আপনি প্রোগামে প্রিন্ট করতে বললেন আপনার নাম, আর প্রোগ্রাম যা প্রিন্ট করলো তা দেখে আপনার চোখ বড় বড় হয়ে গেল!!! কেন? কারন প্রোগ্রাম প্রিন্ট করেছে কতগুলো উল্টাপাল্টা নাম্বার। 


ডিবাগ কী?


ডিবাগ মানে হল বাগ তাড়ানো।  প্রোগ্রামের 
বাগকে তাড়ানোকেই ডিবাগিং বলে। ডিবাগিং হল ডেভেলপারদের কাজ। যারা কোন এপ্লিকেশন বানায় তাদের কাছে প্রোগ্রামটার সোর্স কোড থাকে। যখন ইউজাররা রিপোর্ট করে যে এপ্লিকেশনে বাগ আছে তখন ডেভেলপার পিসির সামনে বসে বসে চুল ছিঁড়ে যে বাগটা কোথায়!? আসলে ডিবাগিং জিনিসটা অনেক কষ্ট। কিন্তু আপনি যখন বিগেনার লেভেলের প্রোগ্রামার তখন থেকেই যদি প্রোগাম ডিবাগ করা শিখে নেন তাহলে পরবর্তীতে বড় বড় প্রোগ্রাম বা এপ্লিকেশন ডিবাগ করতে কোন কস্টই হবে না। আর খুব সহজেই হাজার হাজার লাইনের মাঝে বাগটি খুজে বের করতে পারবেন নিমিষেই। 

আর আমার পরবর্তী পোস্ট কিভাবে ডিবাগ করতে হয় তা আপনাদের মাঝে জানানো। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন। :) 

আমরা যে ভাবে জানবো অচেনা নাম্বারের কলারের পরিচয়

মোবাইলে অচেনা অনেকেই ফোন করে বিরক্ত করে থাকে। বিরক্তের পাশাপাশি অনেক সময় অচেনা এসব কলের হুমকিতে বেশ টেনশনেও থাকতে হয়। তবে এবার আপনার ফোনের ডিসপ্লেতে ভেসে ওঠা যে কোনো অচেনা ফোন নম্বরের ব্যক্তির তথ্য সহজেই স্মার্টফোন থেকে জেনে নিতে পারবেন।
এজন্য অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য রয়েছে বেশ কিছু অ্যাপস। এসব অ্যাপস ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের প্রাইভেট কলারের তথ্য পাওয়া যাবে।
True caller : কল লোকেটর অ্যাপস হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই অ্যাপটি। এর সাহায্যে বিশ্বের যে কোনো দেশের কলারের নাম ও ঠিকানা জানা যাবে। ফোন ধরার আগেই কলার সম্পর্কীয় তথ্য জানিয়ে দেয় ট্রু কলার অ্যাপটি। কোনো ব্যক্তি আপনাকে বার বার বিরক্ত করলে সংশ্লিষ্ট নম্বরটিকে এই অ্যাপের সাহায্যে ব্লক করেও দেয়া যাবে। এই অ্যাপের সাহায্যে আউটগোয়িং কলও ব্লক করা যাবে।
LINE whoscall : কলারের নামের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যও জানাবে এই অ্যাপ। এছাড়া এই অ্যাপটির সাহায্যেও বিরক্তিকর নম্বর ব্লক করা সম্ভব। অ্যাপটির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, এটি শুধু কলই নয় ওই নম্বর থেকে পাঠানো এসএমএসও ব্লক করতে পারে। অ্যাপটি কোনো অফলাইন ডাটাবেসের ক্ষেত্রেও কার্যকর করা সম্ভব।
Mobile Number Locator : অজানা কলারের অপারেটর ও রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।
Calls Blacklist : কলারের নাম-ঠিকানা জানা ছাড়াও এই অ্যপের সাহায্যে কল ও মেসেজ ব্লক করা সম্ভব। একই সঙ্গে ইউজার নির্ধারিত লিস্ট তৈরি করে সেসব নম্বরও ব্লক করা যাবে।
অ্যাপসগুলো যে ফোনসেটে ব্যবহারযোগ্য :
Samsung Galaxy Y GT-S6102 (Android 2.3.6)
Samsung Grand Duos GT-I9082 (Android 4.1.2)
HTC one Dual 802d (Android 4.2.2)
RedMi 2013023 (Android 4.2.2)
Samsung Galaxy win i8552 (Android 4.1.2)
MTK-mini3 (Android 4.2.2)
অ্যাপসগুলো ব্যাবহারের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ থাকা বাঞ্চনিয় এবং সেগুলো গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে।

Wednesday, August 5, 2015

Facebook এ , কে Unfriend করল তা সম্পর্কে জানুন



বর্তমানে আমরা সবাই ফেসবুক ব্যবহার করি । প্রতিদিন অনেক বন্ধু ফেসবুকে ফ্রেন্ড হচ্ছে , অাবার কেউ কেউ Unfriend  ও হচ্ছে ।  কিন্তু এরকম হতেই পারে যে, আপনি আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের কোনো কোনো বন্ধুকে আর খুঁজে পাচ্ছেন না। বেশ কয়েকটি কারণে এমনটি হতে পারে । আজ আমি তার সম্পকে বলব । 

আপনার  কোনো  ফেসবুক  বন্ধু  যদি  আপনাকে  আনফ্রেন্ড  করে দেয় । তবে  আপনি  সেই  ‘ফ্রেন্ড’কে  আপনার বন্ধুতালিকায়  দেখবেন না ।  কিন্তু  ফেসবুকে  যাদের  ফ্রেন্ডলিস্ট  বিশাল, তাদের পক্ষে  সব বন্ধুর  হিসেব  রাখা   ও কঠিন ।  কে  কখন  অ্যাড  করল  কিংবা  কে  কখন  ডিলিট  করে  দিল  তা  টের  পাওয়া  সহজ কাজ নয় । তাই আজ এমন একটি অপশন বা software সম্পকে বলব যার মাধ্যমে খুবই সহজে আপনি জানতে পারবেন এবং তা হল Who Delete Me In Facebook এ অ্যাপটি  ব্যবহার করে ।

অ্যাপটির ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে অ্যাপটি ইনস্টল করে নিন অথবা অন্যান্য ব্রাউজারে ও ইনস্টল করতে পারেন ।  
 

কৌশলী হোন, আর জিতুন


গেমের জগতে কারও পছন্দ ধুন্ধুমার অ্যাকশন, কারও-বা গা-ছমছম আর উত্তেজনায় ভরপুর অ্যাডভেঞ্চার গেম। জনপ্রিয় গেমের ধারা থেকে আলাদা ধাঁচের অনেক গেমও আছে। কৌশলগত গেমগুলোও পছন্দ করেন অনেকে। ‘ক্ল্যাশ অব ক্লেইন’ তেমনই একটি গেম। এতে শত্রুপক্ষকে বিভিন্ন ধরনের সেনা দিয়ে পরাজিত করতে হয়। এসব সেনা বা ট্রুপস যেমন আকার-ইঙ্গিতে আলাদা, তেমনি এদের কাজ ও ভূমিকাও পরস্পর থেকে আলাদা। ক্ল্যাশ অব ক্লেইন সে ধারা মেনে চললেও কিছু সুবিধা এটিকে অন্য গেমগুলো থেকে কিছুটা আলাদা করেছে। এর প্রধান কারণ গেম প্লের কিছু অসাধারণ পরিবর্তন।
যেভাবে খেলবেন
স্মার্টফোনের এই গেমের মূল মন্ত্রই হলো ‘রিসোর্স’ সংগ্রহ করা। আপনাকে একটি এলাকা দেওয়া হবে, সেখানে দুর্গ, সেনা, প্রতিরোধব্যবস্থা ইত্যাদি নির্মাণ করতে হবে। প্রথম ধাপে আপনি যা কিনবেন, ধীরে ধীরে সেগুলোর লেভেল আপগ্রেড করতে হবে। সেটা হতে পারে সৈনিক, দেয়াল কিংবা ঘর। এ জন্য আপনাকে সেনা, এলেক্সায়ার ও ডার্ক এলেক্সায়ার জমাতে হবে বা জিতে নিতে হবে। আবার ‘জেমস’ জমিয়েও আপনি যেকোনো সময় আপগ্রেডের প্রক্রিয়াকে বাড়াতে পারেন।
ক্ল্যাশ অব ক্লেইন গেমটি মূলত এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন শত্রু সেনা (এনিমি ট্রুপস) সুবিধার কারণে আলাদা হয়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে যুদ্ধ করার সুবিধাও আছে। খেলার সময় যদি হুট করে কারও আক্রমণের শিকার হন, তবে কোন ভুলে এমনটি হলো, সেটি দেখে নিয়ে আবার খেলা যাবে।
অসুবিধা
গেমটি খেলার জন্য খেলোয়াড়দের ঘাঁটি নির্মাণ করতে হয় এবং একই সঙ্গে অন্যদের আক্রমণ করতে হয়, যা আপনার জন্য অনেক সময় বিরক্তির কারণও বটে। এই গেমে প্রচলিত স্ট্র্যাটেজি গেমের মতো কোনো নাটকীয় পরিবর্তন নেই, তবে এটি খেললে আপনার ভালো লাগবে।
খেলতে যা লাগবে
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ৪.০.৩
রেজ্যুলেশন ৮০০ x ৪৮০
রেম ৫১২ মেগাবাইট
নামানোর ঠিকানা
অ্যান্ড্রয়েড: CLASH of CLANS

মোবাইল ফোন এর সঠিক তথ্য জানার উপায়


আমরা  অনেক সময় মোবাইল ফোন ক্রয় করতে গিয়ে দেখা যায় যে অনেক সময় জানি না যে মোবাইল ফোনে কি কি অপশন  আছে আর কি কি অপশন নেয় । আমরা কিন্তু তা অতি সহজেই জানতে পারি মোবাইল ফোনের IMFI Number এর মাধ্যমে ।
তাছাড়া যদি মোবাইল ফোন হারিয়ে যায় কিংবা  ট্র্যাকিং করার জন্য তা ব্যবহার হয় । IMFI  Number মোবাইল ফোনে জানতে  *#06# ডাইল করতে হবে । পরে দেখতে পারবেন যে  15-17 ডিজিটের একটি  নম্বর  Show  করছে । এটায় হল  IMFI  Number । অথবা মোবাইল ফোনের ব্যাটারি খোলে দেখা যায় অতি সহজেই ।

এক ক্লিকে অধিক ফোল্ডার তৈরী





আমাদের নিত্যদিনের কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় এক সঙ্গে অনেক ফোলডার তৈরী করতে হয় । আজ  আমি এমন একটি উপায় বলব যার মাধ্যমে এক ক্লিকে  একাধিক ফোল্ডার তৈরী করতে পারবেন খুবই সহজে । 
প্রথমে Notepad টি open করি ।  MD Rakib Is Business Man  এ লিখাটি  Notepad এর মধ্যে টাইপ করি । এবার Save as গিয়ে Create Folder.bar নামে  save করি । লক্ষ্য করুন Create folder নামে অন্য একটি ফাইল তৈরী হয়েছে। 
এবার ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করলে  চারটি নতুন ফোল্ডার তৈরী হবে ।

শুধু লক্ষ্য রাখতে হবে যেন নোডপেড এর মধ্যে লেখার সময়  , প্রথমে যেন  MD লেখা থাকে ।

Tuesday, July 7, 2015

বিনা মূল্যে ছবি ও ভিডিও রাখার সুবিধা

বিনা মূল্যে আপনার সব ছবি ও ভিডিও ক্লাউডে সংরক্ষণ করে রাখার সুবিধা দেবে গুগল। ক্লাউডকে খুব সাধারণভাবে কম্পিউটারের পরিবর্তে ইন্টারনেটে চালিত সফটওয়্যার ও সার্ভিস বলা যেতে পারে।গত মাসে গুগলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে গুগল নতুন একক একটি সেবা চালু করেছে যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিনা মূল্যে ছবি ও ভিডিও ক্লাউডে সংরক্ষণ করার সুবিধা দেবে। বর্তমানে গুগল ফটোজ নামের সেবাটি অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও ওয়েবের জন্য চালু রয়েছে যেখানে ছবি সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
যখন অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস চালিত যন্ত্রে গুগল ফটোজ ইনস্টল করা থাকবে তখন ছবি ও ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাতে আপলোড হয়ে ক্লাউডে সংরক্ষিত হতে শুরু করবে। ক্লাউডে ছবি ও ভিডিও ফুল রেজুলেশনে সংরক্ষিত হবে। ছবির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কোয়ালিটি হবে ১৬ মেগাপিক্সেল আর ভিডিওর ক্ষেত্রে ১০৮০ পিক্সেল। এর চেয়ে বেশি রেজুলেশনের ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণ করতে চাইলে গুগল অ্যাকাউন্টের জন্য সংরক্ষিত স্টোরেজ ব্যবহার করতে হবে। গুগল অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে মোট ১৫ গিগাবাইট জায়গা দেয় গুগল যা গুগল ড্রাইভ, জিমেইল, গুগল প্লাসের ছবির ক্ষেত্রে ভাগাভাগি করে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া ব্যবহারকারী চাইলে এক টেরাবাইট স্টোরেজ কিনে ব্যবহার করতে পারে।
গুগলের আই/ও নামের সম্মেলনে গুগলের বিনা মূল্যে ফটো ও ভিডিও সংরক্ষণের সেবাটির বিশেষ ডেমো দেখানো হয়। এখানে ক্লাউডে সংরক্ষিত ছবি ব্রাউজ করা বা কলিং করা খুব সহজ বলে বর্ণনা করা হয়। গুগল ফটোজ সেবাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যক্তি ও স্থান চিনতে পারে বলে আলাদা করে ট্যাগ করার দরকার পড়ে না। এ ছাড়াও বিশেষভাবে ছবি ও ভিডিও সার্চও করা যায়।
বেল্ট জন ফটো এডিটর ও কোলাজ মেকার এই দুটি ফিচার যুক্ত রয়েছে গুগল ফটোজে। গুগল ফটোজ ব্যবহার করে না এমন বন্ধুদের সঙ্গেও ছবি শেয়ার করার সুবিধা রয়েছে এতে।

Monday, July 6, 2015

নষ্ট পেনড্রাইভ ঠিক করার উপায়

অনেক সময় দেখা যায় যে , পেনড্রাইভ ফরমেট নিচ্ছে না ঠিক তখন করনীয় কি আজ আমি তা সম্পকে বলব:
প্রথমে পেনড্রাইভ টিকে কম্পিউটারের পোর্ট এর সাথে যুক্ত করি । পরে My Computer এর left Button  ক্লিক করে দেখা যাবে যে Manage  অপশনটি আসবে তাতে ক্লিক করি ।
পরে Disk Management  অপশনটিতে ক্লিক করি । তারপর সিলেক্ট করি পেনড্রাইভ এর অপশনটি । পরে left Button  ক্লিক করে Format অপশনটি সিলেক্ট করে দিই ।




তারপর File System টি FAT32 করে দিই । Ok Button সিলেক্ট করি । তাহলেই খুবই সহজে আমরা পেনড্রাইভ Format  করতে পারব ।

Sunday, July 5, 2015

কিবোর্ড হবে হাতের তালু!

ছবি: হাতের তালুতে ভারচুয়াল কিবোর্ডের পেটেন্ট করিয়েছে গুগল।
কেমন হবে হাতের তালুকে যদি কিবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করা যায়? সম্প্রতি গুগল একটি প্রযুক্তি পেটেন্ট করিয়েছে যাতে হাতের তালুর চামড়াকে ভারচুয়াল কিবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
পেটেন্টের আবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তিতে গুগল গ্লাসের মতো একটি হেডসেট থেকে বিম হয়ে হাতের তালুতে ইন্টারনেট অ্যাকটিভ ভারচুয়াল কিবোর্ডটি পড়বে।
ওই হেডসেটের একটি ক্যামেরা ব্যবহারকারীর আঙুলের নড়াচড়া ট্র্যাক করে কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশনে নিয়ে যাবে। ২০১২ সালে এই পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছিল গুগল।
বর্তমান অ্যাপ্লিকেশনটিতে ভারচুয়াল ইনপুট ডিভাইসের জন্য সিস্টেম ও পদ্ধতিগুলোর জন্য আবেদন করা হয়। ভারচুয়াল কিবোর্ডে আঙুল অনুযায়ী নম্বর বা সংকেত নির্ধারণ করা যায়। এক্ষেত্রে, চশমার ফ্রেমের (স্মার্ট গ্লাস) একদিকে প্রজেক্টরটি আর অন্যদিকে ক্যামেরাটি বসানো যায়। ব্যবহারকারী চাইলে চোখের সামনে কোনো ডিভাইস ধরে রাখার পরিবর্তে হাতের তালুর ওপর ভিডিও দেখতে পারেন।

টাইপিং স্পিড চেক

খুব সহজেই আপনি আপনার টাইপিং স্পিড চেক করতে পারবেন । এ জন্য আপনি নিচের লিংকে যান এবং নিজেই নিজের টাইপিং স্পিড দেখুন

টাইপিং স্পিড চেক

সফটওয়ার ছাড়াই এনিমেশন তৈরী করে নিন সহজে

আমাদের নিত্যদিনের অনেক কাজে এনিমেশন প্রয়োজন হয় । তাই আজ আমি এমন একটি লিংক দিব যার মাধ্যমে মোবাইলের জন্য ব্যবহৃত অতি সহজে যে কোন এনিমেশন তৈরী করতে পারবেন ।
প্রথমে এই লিংকে প্রবেশ করুন । দেখবেন


আসছে , তার যে কোনো একটা সিলেক্ট করে এতে আপনার ইচ্ছা মত ভীতরে লেখা লিখতে পারেন ।




পরে তা ডাউনলোড করে আপনি মোবাইলের জন্য ব্যবহৃত বিভীন্ন এনিমেশন এর মধ্যে ব্যবহার করতে পারেন ।




বাংলা লিখুন আপনার উবুন্টু-১৪.০৪ ভার্শনে


বাংলা লেখার জন্য আপনার উবুন্টুতে ইন্সটল করুন অভ্র। অভ্র অনেক জনপ্রিয় একটি মাধ্যম বাংলা লেখার জন্য। আপনার উবুন্টু-১৪.০৪ ভার্শনে অভ্র ডাউনলোড এনং ইন্সটলের জন্য নিচের কমান্ডগুলো ব্যাবহার করুন।

১ম ধাপঃ 

sudo add-apt-repository "deb http://download.opensuse.org/repositories/home:/sarimkhan/xUbuntu_14.04/ ./"


২য় ধাপঃ

কি এড করুন নিচের কমান্ড লিখে

 wget -q http://download.opensuse.org/repositories/home:/sarimkhan/xUbuntu_14.04/Release.key -O- | sudo apt-key add -


৩য় ধাপঃ 

আপডেট করুন আপনার প্যাকেজ লিস্ট নিচের কমান্ডের মাধ্যমে

  sudo apt-get update


৪র্থ ধাপঃ 

এখন ইন্সটল করুন অভ্র নিচের কমান্ডের মাধ্যমে 

 sudo apt-get install ibus-avro-trusty 

৫ম ধাপঃ 

এখন আপনার টার্মিনালটি বন্ধ করুন এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

ব্যাবহারঃ 

 IM মেন্যুবারে ক্লিক করুন এবং Text entry Settings সিলেক্ট করুন 

Text Entry Settings-এ গিয়ে প্লাস (+) আইকনে ক্লিক করুন এবং সার্চ অপশনে avro লিখুন। এখন Bengali ( Avro Phonetic) সিলেক্ট করুন। 



এখন বাংলা লিখুন যেখানে ইচ্ছে। 



আনস্টলের উপায়ঃ 

প্রথমে Text Entry Settings ওপেন করুন এবং Avro Phonetic রিমুভ করুন মাইনাসে ক্লিক করে। এরপর নিচের কমান্ডটি টার্মিনালে লিখুন।

 sudo apt-get remove ibus-avro-trusty

Saturday, July 4, 2015

টেম্পোরারি শর্টকাট ফাইলগুলো ডিলিট করে আপনার পিসিকে করে নিন আরও ফাস্ট !!!



আজকে আমি আপনাদের সাথে, অতি ক্ষুদ্র মাত্র ৯২ কে.বি. এর একটি সফটওয়্যার শেয়ার করছি । ক্ষুদ্র বলে এটাকে অবহেলা না করাই শ্রেয় । আমাদের পিসিতে প্রতিনিয়ত অনেক শর্টকাট ফাইল তৈরি হয় । কিন্তু আমরা সেটা খেয়াল করিনা । কিন্তো এই শর্টকাট ফাইগুলি আমাদের পিসিকে অজান্তেই স্লও করে দিচ্ছে ।
ভয় পাবেন না , আমি তো আছিই । তাই আজকে আমি আপনাদের এই মুল্লবান সফটওয়্যারটি দিচ্ছি ।

ব্যাবহার করার নিয়ম ঃ
১. প্রথমে   Temporary_Delete.exe এই ফাইলটি রান করান ।
২. এবার অনেকগুলু উইন্ডো ওপেন হবে, ভয় না পেয়ে একটি একটি করে সব উইন্ডো গল থেকে সব গুলো শর্টকাট ফাইল ডিলিট করোন ।
৩. কোনও শর্টকাট ডিলিট না হলে , ignore করোন ।

ডাউনলোড লিঙ্ক

ধন্যবাদ সবাইকে সাথে থাকার জন্য ...। 

জেডিটে টার্মিনাল এড করবেন কীভাবে?


লিনাক্স বেইজড অপারেটিং সিস্টেমের একটি বৈশিষ্ট্য হলো আমার কোড রান করানোর জন্য অন্যকোনো IDE ইন্সটল না করে আপনি চাইলে লিনাক্সের নোটপ্যাড অর্থাৎ  জেডিটে ( Gedit ) আপনার কোড রান করাতে পারেন। কিন্তু প্রথমে
জেডিটে কোড রান করতে গেলে যেই সমস্যায় পরতে হয় সেটি হলো জেডিটে টার্মিনাল খুঁজে না পাওয়া। এই সমস্যায় পরলে আপনার তেমন কিছু করতে হবে না। আলাদা করে টার্মিনাল ওপেন করে লিখুন নিচের কমান্ডটি-

      sudo apt-get install gedit-plugins 

এই কমান্ড লেখার পর আপনার জেডিট প্লাগিং ইন্সটল হবে। প্লাগিং ইন্সটল করার পর Gedit window তে ক্লিক করুন। এরপর Edit-এ ক্লিক করুন। এরপর ক্লিক করুন preference-এ। এরপর, Embedded Terminal এই অপশনটিতে ক্লিক করুন।

   
এখন View অপশনে ক্লিক করুন এবং bottom panel অপশনটি সিলেক্ট করুন।
এখন আপনি আপনার জেডিট নোটপ্যাডে টার্মিনাল দেখতে পাবেন।