আপডেট
Showing posts with label দিদার. Show all posts
Showing posts with label দিদার. Show all posts

Wednesday, November 25, 2015

খুব সহজেই আপনার উইন্ডোজ ১০ আর অফিস ১৩ অ্যাক্টিভ করে নিন

 প্রথমে এখানে ক্লিক করে Windows 10 Medicine ফাইল টি ডাউনলোড করুন এবং  রার ফাইলটিকে এক্সট্রাক করুন ।
তারপর KMSAuto.exe ফাইল টি ওপেন করুন
এরপর অ্যাক্টিভ উইন্ডোজ বা অ্যাক্টিভ অফিস দিলেই আপনার উইন্ডোজ বা অফিস অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে।

Tuesday, October 6, 2015

HTML শিখুন মাত্র ১২ মিনিটে



পোস্ট টাইটেল দেখে আবাক হচ্ছেন ? 
অবাক হওয়ার কিছু নাই , ভিডিও টি মূলত তাদের জন্য ,যারা সল্প সময়ে HTML শিখতে চায় ।
যাই হোক , ভিডিও টি তৈরি করেছেন 
ভিডিও টি সম্পূর্ণ  ইংলিশে  করা ।
ভিডিও টি তে HTML এর খুঁটিনাটি  প্রায় সব কিছুই সংক্ষেপে বলা হয়েছে ।
আমি এই টুকু বলত পারি আপনার ১২ মিনিট বিফলে যাবে না ...।


Learn HTML in 12 Minutes




Sunday, August 9, 2015

থ্রেড


থ্রেড হল একটি প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশ বা সাবপ্রোগ্রাম। একটি থ্রেডে কেবল একটি ফ্লো থাকে। যে কোন প্রোগ্রামে নুন্নতম একটি থ্রেড থাকে।

থ্রেড  তৈরি

থ্রেড তৈরি করা কঠিন কিছু না । থ্রেডে একটি   run() নামে মেথড অবশ্যই থাকবে।

এটি সাধারণত পাব্লিক মেথড আর এটি অন্য কোন প্যাকেজেও ব্যবহার করা যায় ।

run() মেথড এর সাধারণ ফরম্যাট

public void run()
{
//BODY OF TEHE THREAD
}

সাধারণত ২ টি উপায়ে থ্রেড ক্লাস তৈরি করা যায়

১। সরাসরি Thread ক্লাস Extend করে ও 

২। Runable ক্লাসকে Implement করে।

পরবর্তী পোস্টে থ্রেড এর ক্লাস তৈরি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

Wednesday, August 5, 2015

কৌশলী হোন, আর জিতুন


গেমের জগতে কারও পছন্দ ধুন্ধুমার অ্যাকশন, কারও-বা গা-ছমছম আর উত্তেজনায় ভরপুর অ্যাডভেঞ্চার গেম। জনপ্রিয় গেমের ধারা থেকে আলাদা ধাঁচের অনেক গেমও আছে। কৌশলগত গেমগুলোও পছন্দ করেন অনেকে। ‘ক্ল্যাশ অব ক্লেইন’ তেমনই একটি গেম। এতে শত্রুপক্ষকে বিভিন্ন ধরনের সেনা দিয়ে পরাজিত করতে হয়। এসব সেনা বা ট্রুপস যেমন আকার-ইঙ্গিতে আলাদা, তেমনি এদের কাজ ও ভূমিকাও পরস্পর থেকে আলাদা। ক্ল্যাশ অব ক্লেইন সে ধারা মেনে চললেও কিছু সুবিধা এটিকে অন্য গেমগুলো থেকে কিছুটা আলাদা করেছে। এর প্রধান কারণ গেম প্লের কিছু অসাধারণ পরিবর্তন।
যেভাবে খেলবেন
স্মার্টফোনের এই গেমের মূল মন্ত্রই হলো ‘রিসোর্স’ সংগ্রহ করা। আপনাকে একটি এলাকা দেওয়া হবে, সেখানে দুর্গ, সেনা, প্রতিরোধব্যবস্থা ইত্যাদি নির্মাণ করতে হবে। প্রথম ধাপে আপনি যা কিনবেন, ধীরে ধীরে সেগুলোর লেভেল আপগ্রেড করতে হবে। সেটা হতে পারে সৈনিক, দেয়াল কিংবা ঘর। এ জন্য আপনাকে সেনা, এলেক্সায়ার ও ডার্ক এলেক্সায়ার জমাতে হবে বা জিতে নিতে হবে। আবার ‘জেমস’ জমিয়েও আপনি যেকোনো সময় আপগ্রেডের প্রক্রিয়াকে বাড়াতে পারেন।
ক্ল্যাশ অব ক্লেইন গেমটি মূলত এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন শত্রু সেনা (এনিমি ট্রুপস) সুবিধার কারণে আলাদা হয়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে যুদ্ধ করার সুবিধাও আছে। খেলার সময় যদি হুট করে কারও আক্রমণের শিকার হন, তবে কোন ভুলে এমনটি হলো, সেটি দেখে নিয়ে আবার খেলা যাবে।
অসুবিধা
গেমটি খেলার জন্য খেলোয়াড়দের ঘাঁটি নির্মাণ করতে হয় এবং একই সঙ্গে অন্যদের আক্রমণ করতে হয়, যা আপনার জন্য অনেক সময় বিরক্তির কারণও বটে। এই গেমে প্রচলিত স্ট্র্যাটেজি গেমের মতো কোনো নাটকীয় পরিবর্তন নেই, তবে এটি খেললে আপনার ভালো লাগবে।
খেলতে যা লাগবে
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ৪.০.৩
রেজ্যুলেশন ৮০০ x ৪৮০
রেম ৫১২ মেগাবাইট
নামানোর ঠিকানা
অ্যান্ড্রয়েড: CLASH of CLANS

Sunday, July 5, 2015

কিবোর্ড হবে হাতের তালু!

ছবি: হাতের তালুতে ভারচুয়াল কিবোর্ডের পেটেন্ট করিয়েছে গুগল।
কেমন হবে হাতের তালুকে যদি কিবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করা যায়? সম্প্রতি গুগল একটি প্রযুক্তি পেটেন্ট করিয়েছে যাতে হাতের তালুর চামড়াকে ভারচুয়াল কিবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
পেটেন্টের আবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তিতে গুগল গ্লাসের মতো একটি হেডসেট থেকে বিম হয়ে হাতের তালুতে ইন্টারনেট অ্যাকটিভ ভারচুয়াল কিবোর্ডটি পড়বে।
ওই হেডসেটের একটি ক্যামেরা ব্যবহারকারীর আঙুলের নড়াচড়া ট্র্যাক করে কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশনে নিয়ে যাবে। ২০১২ সালে এই পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছিল গুগল।
বর্তমান অ্যাপ্লিকেশনটিতে ভারচুয়াল ইনপুট ডিভাইসের জন্য সিস্টেম ও পদ্ধতিগুলোর জন্য আবেদন করা হয়। ভারচুয়াল কিবোর্ডে আঙুল অনুযায়ী নম্বর বা সংকেত নির্ধারণ করা যায়। এক্ষেত্রে, চশমার ফ্রেমের (স্মার্ট গ্লাস) একদিকে প্রজেক্টরটি আর অন্যদিকে ক্যামেরাটি বসানো যায়। ব্যবহারকারী চাইলে চোখের সামনে কোনো ডিভাইস ধরে রাখার পরিবর্তে হাতের তালুর ওপর ভিডিও দেখতে পারেন।

টাইপিং স্পিড চেক

খুব সহজেই আপনি আপনার টাইপিং স্পিড চেক করতে পারবেন । এ জন্য আপনি নিচের লিংকে যান এবং নিজেই নিজের টাইপিং স্পিড দেখুন

টাইপিং স্পিড চেক

Saturday, July 4, 2015

ফেসবুকের লোগোতে পরিবর্তন

     
পুরোনো লোগো, নতুন লোগোপুরোনো লোগো, নতুন লোগোপ্রথমবারের মতো নিজেদের লোগো পরিবর্তন আনল জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক। ২০০৫ সালের পর এবারই নিজেদের লোগোতে পরিবর্তন এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু ফেসবুকের প্রথম অক্ষর ‘এফ’ ছাড়া বাকি সবগুলো অক্ষরেই লেগেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। লোগো পরিবর্তনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও ফেসবুকের পণ্য নকশাকারী ক্রিস্টোফ টোজেট বিষয়টি টুইটারে জানিয়েছেন। নিজের এক টুইট পোস্টে ফেসবুকের নতুন লোগোর একটি ছবি দিয়ে উল্লেখ করেন, ফেসবুকের নতুন লোগোকে হ্যালো বলুন।নতুন এ লোগো পরিবর্তনটি হঠাৎ করে দেখলে বোঝার উপায় নেই। তবে একটু ভালোভাবে নজর দিলেই বিষয়টি নজরে পড়ে। এফ ছাড়া ফেসবুকের বাকি অক্ষরগুলোতে এসেছে পরিবর্তন। আনুষ্ঠানিকভাবে বুধবার থেকে নতুন লোগোটি ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন এ লোগোর ঘোষণার পাশাপাশি এ লোগো তৈরিতে কে কে কাজ করেছেন ক্রিস্টোফ সেটিও আলাদা এক টুইটে উল্লেখ করেছেন। তাতে বলা হয়, নতুন এ লোগো তৈরিতে ফেসবুকে পণ্য নকশাকারী দলের জোশ ডব্লিউ উইগিন্স, টিম বিলোনেক্স, এরিক ওলসেন এবং ক্রিউ। এর আগে ২০১২ সালেও ফেসবুকের নতুন একটি লোগো তৈরি করেছিলেন ফেসবুকের সাবেক নকশাবিদ বেন বেরি। সব ঠিক থাকলেও পরবর্তী সময়ে ফেসবুক বোর্ড নতুন লোগোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়নি। অবশেষে তিন বছর পর পরিবর্তন এল ফেসবুকের মূল লোগোতে।



Source : প্রথম আলো

ফেসবুক কেন মাথায় ঢুকতে চায়?

     
ভবিষ্যতে ভারচুয়াল রিয়েলিটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করতে চায় ফেসবুক।মার্ক জাকারবার্গ যদি তাঁর স্বপ্ন বুঝতে পারার ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে পারেন তবে শিগগিরই হয়তো আমরা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় কাজে লাগিয়ে বা টেলিপ্যাথির মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারব। আর এই টেলিপ্যাথিই হতে পারে ফেসবুকের ভবিষ্যৎ। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ অন্তত তাই মনে করছেন। ভবিষ্যতে আপনি যে চিন্তা করবেন হয়তো সেটিই ফেসবুকে স্ট্যাটাস হিসেবে হালনাগাদ হয়ে যাবে।
জাকারবার্গ বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি একদিন আমাদের সব চিন্তা-ভাবনা প্রযুক্তির সাহায্যে একে অন্যের কাছে সরাসরি স্থানান্তর করতে পারব। কেউ কোনো কিছু চিন্তা করে সেটি শেয়ার করতে চাইলে তাঁর বন্ধুরা সে চিন্তাটির তৎক্ষণাৎ অভিজ্ঞতা লাভ করবে। ভবিষ্যতের যোগাযোগ পদ্ধতি এ রকমই হবে।’
ফেসবুকের ৩১ বছর বয়সী প্রধান নির্বাহী সম্প্রতি এক প্রশ্নোত্তর ফোরামে বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি একদিন আমাদের পরিপূর্ণ ও সম্পূর্ণ ভাবনা প্রযুক্তির মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে বিনিময় করতে পারব।’
জাকারবার্গের এই মন্তব্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। অনেকেই একে বাজে ধারণা বলেছেন আবার অনেকেই একে ফেসবুকের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা হিসেবে দেখছেন। ফেসবুকের সীমাহীন আকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে জাকারবার্গের এই মন্তব্য প্রতীক স্বরূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
গত দশক ধরে, শুধু সোশ্যাল নেটওয়ার্ক বা সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট হিসেবে আটকে থাকেনি ফেসবুক। নতুন নতুন ফিচার যোগ করে এটি মানুষের কাছে অপরিহার্য করে তুলেছে।
এ বছরের জানুয়ারি মাসে ফেসবুক এর সেবা পরিধি সামাজিকতার ক্ষেত্র বাড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মক্ষেত্রে নিয়ে এসেছে। ওই সময় ‘ফেসবুক অ্যাট ওয়ার্ক’ সেবা চালু করে ফেসবুক যাতে কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ফেসবুকের মাধমে নিজেদের মধ্যে কাজের যোগাযোগও করতে পারে।
এ ছাড়াও, ফেসবুকের সেবার সঙ্গে ম্যাসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন, গ্রুপ ফিচার, অনলাইন পেমেন্ট, ফেসবুকে কেনাকাটার মতো নানা সুবিধা যুক্ত হয়েছে।ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ
ফেসবুকের নজর পড়ছে খবরের দিকেও। সম্প্রতি ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেলস নামের একটি সেবার ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক যাতে সংবাদমাধ্যমগুলো লিংক শেয়ারের পরিবর্তে সরাসরি ফেসবুকের অ্যাপে কনটেন্ট শেয়ার করতে পারবে। ভিডিওকে গুরুত্ব দিতেও নানা উদ্যোগ নিয়েছে ফেসবুক।
শুধু সফটওয়্যার নয়, ফেসবুক গুরুত্ব দিচ্ছে হার্ডওয়্যারের প্রতিও। সম্প্রতি ভারচুয়াল রিয়েলিটি যন্ত্র নির্মাতা অকুলাস কিনেছে ফেসবুক।
নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়েও এগিয়ে যাচ্ছে ফেসবুক। এ রকমই একটি উদ্ভাবন হচ্ছে— ইন্টারনেট ডট ওআরজি উদ্যোগ, যা আগামী দশকের মধ্যেই ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত কোটি মানুষকে ইন্টারনেট সুবিধা দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এ ছাড়াও সম্প্রতি ড্রোন ও স্যাটেলাইট থেকে লেজার রশ্মির মাধ্যমে ওয়াই-ফাই সুবিধা দেওয়ার প্রকল্প নিয়ে কাজ করার কথা বলেছেন জাকারবার্গ। এই প্রকল্পগুলো সফল হলে তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশের মানুষের জীবন পাল্টে যাবে বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে, সামাজিক মূলধনের ওপর দারুণ এক কাজ করছে ফেসবুক। সবচেয়ে জনহিতকর দিক বিবেচনা করলে, মানুষকে সংযোগের আওতায় আনা মানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে যে অবদান বাড়ে তা অনস্বীকার্য। কিন্তু এই সংযোগের সঙ্গে মানুষের খুব কাছে চলে যেতে পারছে ফেসবুক। এতে ফেসবুকের গ্রাহক আরও নিশ্চিতভাবে বাড়ছে।
ইন্টারনেট ডট অর্গের পাশাপাশি জাকারবার্গ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর ভারচুয়াল রিয়েলিটিকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং ফেসবুকের ভবিষ্যৎ থিম হিসেবে নিচ্ছেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, আমাদের জীবনে সঙ্গে যতটা আষ্টেপৃষ্ঠে ফেসবুক জড়িয়ে যাবে, যতটা ক্ষেত্র ফেসবুক দখল করে আমাদের সময় নষ্ট করাতে পারবে ফেসবুকের লাভ ততই বাড়বে। আমাদের সম্পর্কে ফেসবুকের কাছে তত বেশি তথ্য থাকবে এবং আমাদের কাছ থেকে ফেসবুক তত বেশি লাভ বুঝে নেবে।
এ বছরের প্রথম তিন মাসে ফেসবুক ব্যবহারকারীকে লক্ষ্য করে প্রকাশ করা বিজ্ঞাপন থেকে আয় ছিল ৩৫৪ কোটি মার্কিন ডলার। এখন ফেসবুক শুধু আর ফেসবুক ট্র্যাকিং করে বিজ্ঞাপন দেবে না বরং অন্য মোবাইল অ্যাপের তথ্যও সংগ্রহ করে সে অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দেখানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। ফেসবুকের এসব বিজ্ঞাপন ব্যবহারকারীদের গা সওয়া হয়ে গেছে কারণ ফেসবুকের নানা ফিচার বিনা মূল্যে ব্যবহারের জন্য এ ধরনের বিজ্ঞাপন অভিজ্ঞতাকে মেনে নিচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।
কিন্তু যদি টেলিপ্যাথি সম্ভব হয়? তখন বিজ্ঞাপন দেখানোর বিষয়টিও নিশ্চয়ই আলাদা হয়ে যাবে। সম্পূর্ণ নতুন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা চলে আসবে আমাদের সামনে।

Source : প্রথম আলো