আপডেট
Showing posts with label গুগল. Show all posts
Showing posts with label গুগল. Show all posts

Sunday, August 9, 2015

আমরা যে ভাবে জানবো অচেনা নাম্বারের কলারের পরিচয়

মোবাইলে অচেনা অনেকেই ফোন করে বিরক্ত করে থাকে। বিরক্তের পাশাপাশি অনেক সময় অচেনা এসব কলের হুমকিতে বেশ টেনশনেও থাকতে হয়। তবে এবার আপনার ফোনের ডিসপ্লেতে ভেসে ওঠা যে কোনো অচেনা ফোন নম্বরের ব্যক্তির তথ্য সহজেই স্মার্টফোন থেকে জেনে নিতে পারবেন।
এজন্য অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য রয়েছে বেশ কিছু অ্যাপস। এসব অ্যাপস ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের প্রাইভেট কলারের তথ্য পাওয়া যাবে।
True caller : কল লোকেটর অ্যাপস হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই অ্যাপটি। এর সাহায্যে বিশ্বের যে কোনো দেশের কলারের নাম ও ঠিকানা জানা যাবে। ফোন ধরার আগেই কলার সম্পর্কীয় তথ্য জানিয়ে দেয় ট্রু কলার অ্যাপটি। কোনো ব্যক্তি আপনাকে বার বার বিরক্ত করলে সংশ্লিষ্ট নম্বরটিকে এই অ্যাপের সাহায্যে ব্লক করেও দেয়া যাবে। এই অ্যাপের সাহায্যে আউটগোয়িং কলও ব্লক করা যাবে।
LINE whoscall : কলারের নামের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যও জানাবে এই অ্যাপ। এছাড়া এই অ্যাপটির সাহায্যেও বিরক্তিকর নম্বর ব্লক করা সম্ভব। অ্যাপটির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, এটি শুধু কলই নয় ওই নম্বর থেকে পাঠানো এসএমএসও ব্লক করতে পারে। অ্যাপটি কোনো অফলাইন ডাটাবেসের ক্ষেত্রেও কার্যকর করা সম্ভব।
Mobile Number Locator : অজানা কলারের অপারেটর ও রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।
Calls Blacklist : কলারের নাম-ঠিকানা জানা ছাড়াও এই অ্যপের সাহায্যে কল ও মেসেজ ব্লক করা সম্ভব। একই সঙ্গে ইউজার নির্ধারিত লিস্ট তৈরি করে সেসব নম্বরও ব্লক করা যাবে।
অ্যাপসগুলো যে ফোনসেটে ব্যবহারযোগ্য :
Samsung Galaxy Y GT-S6102 (Android 2.3.6)
Samsung Grand Duos GT-I9082 (Android 4.1.2)
HTC one Dual 802d (Android 4.2.2)
RedMi 2013023 (Android 4.2.2)
Samsung Galaxy win i8552 (Android 4.1.2)
MTK-mini3 (Android 4.2.2)
অ্যাপসগুলো ব্যাবহারের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ থাকা বাঞ্চনিয় এবং সেগুলো গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে।

Tuesday, July 7, 2015

বিনা মূল্যে ছবি ও ভিডিও রাখার সুবিধা

বিনা মূল্যে আপনার সব ছবি ও ভিডিও ক্লাউডে সংরক্ষণ করে রাখার সুবিধা দেবে গুগল। ক্লাউডকে খুব সাধারণভাবে কম্পিউটারের পরিবর্তে ইন্টারনেটে চালিত সফটওয়্যার ও সার্ভিস বলা যেতে পারে।গত মাসে গুগলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে গুগল নতুন একক একটি সেবা চালু করেছে যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিনা মূল্যে ছবি ও ভিডিও ক্লাউডে সংরক্ষণ করার সুবিধা দেবে। বর্তমানে গুগল ফটোজ নামের সেবাটি অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও ওয়েবের জন্য চালু রয়েছে যেখানে ছবি সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
যখন অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস চালিত যন্ত্রে গুগল ফটোজ ইনস্টল করা থাকবে তখন ছবি ও ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাতে আপলোড হয়ে ক্লাউডে সংরক্ষিত হতে শুরু করবে। ক্লাউডে ছবি ও ভিডিও ফুল রেজুলেশনে সংরক্ষিত হবে। ছবির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কোয়ালিটি হবে ১৬ মেগাপিক্সেল আর ভিডিওর ক্ষেত্রে ১০৮০ পিক্সেল। এর চেয়ে বেশি রেজুলেশনের ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণ করতে চাইলে গুগল অ্যাকাউন্টের জন্য সংরক্ষিত স্টোরেজ ব্যবহার করতে হবে। গুগল অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে মোট ১৫ গিগাবাইট জায়গা দেয় গুগল যা গুগল ড্রাইভ, জিমেইল, গুগল প্লাসের ছবির ক্ষেত্রে ভাগাভাগি করে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া ব্যবহারকারী চাইলে এক টেরাবাইট স্টোরেজ কিনে ব্যবহার করতে পারে।
গুগলের আই/ও নামের সম্মেলনে গুগলের বিনা মূল্যে ফটো ও ভিডিও সংরক্ষণের সেবাটির বিশেষ ডেমো দেখানো হয়। এখানে ক্লাউডে সংরক্ষিত ছবি ব্রাউজ করা বা কলিং করা খুব সহজ বলে বর্ণনা করা হয়। গুগল ফটোজ সেবাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যক্তি ও স্থান চিনতে পারে বলে আলাদা করে ট্যাগ করার দরকার পড়ে না। এ ছাড়াও বিশেষভাবে ছবি ও ভিডিও সার্চও করা যায়।
বেল্ট জন ফটো এডিটর ও কোলাজ মেকার এই দুটি ফিচার যুক্ত রয়েছে গুগল ফটোজে। গুগল ফটোজ ব্যবহার করে না এমন বন্ধুদের সঙ্গেও ছবি শেয়ার করার সুবিধা রয়েছে এতে।

Thursday, June 25, 2015

ডার্ক ওয়েব ! ! ! এবং অজানা কিছু তথ্য ( পর্ব- ০২)

ডার্ক ওয়েব ! ! ! এবং অজানা কিছু তথ্য ( পর্ব- ০১)--- এ আমি ডার্ক ওয়েব সম্পর্কে কিছু বলেছিলাম। আজ আপনাদের এই ডার্ক ওয়েব সম্পর্কে আরো বিস্তর ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করবো।





সার্চ ইঞ্জিন যেমনঃ গুগল, ইয়াহু, বিং ইত্যাদির সাহায্যে ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটের পেইজ ইনডেক্স করে রাখা হয় যাতে পরবর্তীতে সেই পেইজগুলা খুঁজে বের করা সহজ হয়। আর এই জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তার নাম CRAWLER (ক্রাউলার)। ক্রাউলার ওয়েবসাইটের এইচটিএমএল ট্যাগ দেখে ওয়েবসাইটগুলোকে সাজিয়ে রাখে, আর এজন্যেই গুগল তথা সার্চ ইঞ্জিন থেকে খুব দ্রুত এবং সহজেই তথ্যগুলো খুঁজে বের করা যায়। তবে ক্রাউলার যে ওয়েবসাইটের পেইজ ইনডেক্স করে রাখবে, সেজন্যে ওয়েবসাইটের এডমিনের অনুমতি লাগে। কিন্তু যদি কোনো ওয়েবসাইটের এডমিন সেই অনুমতিটা না দেয় তবেই সেই ওয়েবসাইটটি ডার্ক ওয়েবের আন্ডারে চলে যায় এবং গুগল তথা সার্চ ইঞ্জিন সেটা আর খুঁজে বের করতে পারে না। এটাই ডার্ক ওয়েব এর মূল ধারনা। পরের পর্বে আমি ডার্ক ওয়েবের কার্যক্রম এবং উপকারিতা/অপকারিতা নিয়ে আলোচনা করবো। সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ।

আর কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানান। :)

Wednesday, June 24, 2015

ডার্ক ওয়েব ! ! ! এবং অজানা কিছু তথ্য ( পর্ব- ০১)

বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। ডিজিটালাইজেশনের যুগ। আর এই ডিজিটালাইজেশনের যুগে ইন্টারনেট ছাড়া আমরা কোন কথাই ভাবতে পারি না। আমাদের কাছে ইন্টারনেট এখন অনেক সহজলভ্য, তাই আমরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমনঃ মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ইত্যাদি দিয়ে যেখানে ইচ্ছা সেখান থেকে অন্য প্রান্তের খবর তথা যে কোন ধরনের কাজ আমরা খুব কম সময়েই করতে পারি। এখন কাজের কথায় আসি...

গুগলের নাম শুনিনাই, আমাদের মাঝে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে কি? উত্তরটা মনেহয় "না"। আমরা জানি গুগলে সার্চ দিলে এমন কোন জিনিস নাই যেটা পাওয়া যায় না, তাইনা? তাই আমরা কোন কিছু জানার দরকার হলে সবার আগে গুগল করি। এবং গুগল তার উত্তরও আমাদের দেয়। কি দেয় না? আবার আমরা এটাও জানি যে সকল বিষয়ের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। এখন আপনি আমাকে পাগল ভাবতে পারেন, বলতে পারেন যে গুগলের আবার কিসের সীমাবদ্ধতা? তাই না???

এখন আমি আপনাকে যে তথ্যটা দিবো সেটা শুনলে আপনি আমাকে পাবনায় ও পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। আচ্ছা তাহলে জেনে নেই গুগলের সীমাবদ্ধতা...



আমরা গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে কিছু লিখে সার্চ দিলে হাজার হাজার তথ্য আসে। আর সেই তথ্যগুলো আপনি যে জিনিসটি লিখে সার্চ দিয়েছেন ঐ তথ্যের ১০০ ভাগের মাত্র ১০ ভাগ!!! 





তাহলে আপনার প্রশ্ন হতে পারে তাহলে বাকী ৯০ ভাগ কোথায়? হ্যাঁ ঐ ৯০ ভাগ ডাটা যেখানে থাকে সেটার নামই ডার্ক ওয়েব বা ডীপ নেট বা দ্যা ইনভিজিবল ওয়েব বা হিডেন ওয়েব বা আন্ডার নেট ইত্যাদি ইত্যাদি আরো অনেক নাম আছে। 

আমার এই পোস্টের ৩ টি পর্ব, প্রথমটি আজ দিলাম। পরবর্তী ২ টি পর্বে ডার্ক ওয়েব নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করবো। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন এবং সাথেই থাকবেন, ধন্যবাদ।।।  

Wednesday, June 10, 2015

প্রাইভেসি নিয়ে আর নেই ভয় !!! আপনার অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বারিয়ে নিন গুগলের মাই অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে ।।



গুগলের বিভিন্ন অনলাইন অ্যকাউন্টের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করতে অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনায় নতুন ফিচার চালু করেছে গুগল। নতুন এই ব্যবস্থাইয় একটি স্থান থেকেই গুগলের সব ধরনের অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে ব্যবহারকারী। ‘মাই অ্যাকাউন্ট’ নামে গুগলের নতুন এই ফিচার আপনাদের জন্য অ্যাকাউন্টের ব্যবস্থাপনার কাজটি আরও সহজ করে দেবে ।

মাই অ্যাকাউন্ট মূলত গুগলের সব ধরনের অ্যাকাউন্টের জন্য একক একটি ড্যাশবোর্ডের মতো আচরণ করবে। মাই অ্যাকাউন্টের এই ড্যাশবোর্ডেই মিলবে সিকিউরিটি সেটিংস, পার্সোনাল ইনফরমেশন, প্রাইভেসি সেটিংস এবং অ্যাকাউন্টের অন্যান্য তথ্য। এই একটি স্থান থেকেই গুগলের বিভিন্ন সেবা ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারী তার নিজের মতো করে বিভিন্ন ধরনের সেটিংস নির্ধারণ করে দিতে পারবেন। গুগলের মাই অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করলে হোমপেজটিকে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন অংশে বিভক্ত দেখা যাবে।...........................এর প্রথম অংশে রয়েছে সাইন-ইন অ্যান্ড সিকিউরিটি। এই অংশ থেকে গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন-ইন করার জন্য প্রয়োজনীয় পাসওয়ার্ড, দ্বি-স্তরবিশিষ্ট লগ-ইন সেবা, গুগল অ্যাপের জন্য থার্ড-পার্টি সেবা কর্তৃক গৃহীত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী প্রভৃতি বিষয় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

 দ্বিতীয় অংশ পার্সোনাল ইনফো অ্যান্ড প্রাইভেসিতে রয়েছে গুগল সার্চ, ইউটিউব ব্রাউজিং প্রভৃতির ইতিহাস এবং এখান থেকে অবস্থানের তথ্য কিংবা বিজ্ঞাপন প্রদর্শন প্রভৃতি বিষয়কে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। তৃতীয় ও শেষ অংশে রয়েছে অ্যাকাউন্ট প্রিফারেন্স। এই অংশ থেকে গুগলের বিভিন্ন সেবার জন্য অন্যান্য যেসব ব্যক্তিগত সেটিংস রয়েছে, সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। 

শুধু তাই নয়, এখানে গিয়ে জিমেইল, ইউটিউব বা গুগল প্লাসের মতো যেকোনো গুগল সেবা থেকে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলার সুবিধাও রাখা হয়েছ।। তাই আর দেরি না করে গুগলের এই সেবাটি গ্রহন করে উপক্রিত হোন । ধন্যবাদ সবাইকে.........।

Tuesday, February 17, 2015

মারা গেলে গুগলে থাকা তথ্যের কী হবে?

  • আগেভাগেই করে যেতে পারেন ডিজিটাল সম্পদের ব্যবস্থাপনা
    আগেভাগেই করে যেতে পারেন ডিজিটাল সম্পদের ব্যবস্থাপনা
  • প্রথম ধাপ
    প্রথম ধাপ
  • দ্বিতীয় ধাপ
    দ্বিতীয় ধাপ
  • তৃতীয় ধাপ
    তৃতীয় ধাপ

ব্যবহারকারীর অবর্তমানে জি-মেইল, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট গুগল প্লাস, ইউটিউবসহ গুগলের নানা সেবায় সংরক্ষিত তথ্য কী করা হবে, তা নিয়ে আগেভাগে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে তাঁর সংরক্ষিত তথ্য নির্দিষ্ট সময় পর মুছে ফেলা বা অন্য কাউকে ডিজিটাল সম্পদ হিসেবে উত্তরাধিকারী মনোনীত করার সুবিধা দেওয়ার তথ্য জানিয়েছে গুগল কর্তৃপক্ষ। গুগলের সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে গুগলে সংরক্ষিত তথ্যের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার নামে ‘টুল’ প্রকাশ করার তথ্য জানানো হয়েছে। গুগল অ্যাকাউন্টে এ টুলটি রয়েছে।
ব্যবহারকারী আগে থেকেই তাঁর অবর্তমানে গুগলে সংরক্ষিত তথ্যগুলোর ব্যবস্থাপনা নিয়ে নির্দেশনা দিতে পারবেন। গুগল কর্তৃপক্ষ ওই সময় মেনে ব্যবহারকারীর সরবরাহ করা সেকেন্ডারি মেইলে তথ্য ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত মেইল পাঠাবে।
দীর্ঘদিন ধরেই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিয়ে দুর্ভাবনায় রয়েছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মারা যাওয়ার পর তাঁর তথ্যগুলো যাতে বেহাত না হয়ে যায়, বিষয়টি নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন।
গুগল বা ফেসবুক ব্যবহারকারী কেউ যখন মারা যান, তাঁর ব্যবহূত মেইল, গুগল প্লাস বা ফেসবুক পাতাটি দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে অব্যবহূত থেকে যায়। এসব সেবার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেউ হয়তো কোনো অপরাধ করে বসতে পারে।
কম্পিউটার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান ম্যাকাফির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারও অবর্তমানে তাঁর ডিজিটাল সম্পদগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ফেসবুক, টুইটার বা ভারচুয়াল সব অ্যাকাউন্ট আপনার ডিজিটাল সম্পদ হতে পারে। এগুলোর আর্থিক মূল্য আছে। এ সম্পদের ভবিষ্যত্ আগেভাগেই নির্ধারণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ জেমস ল্যাম।
ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তাঁর ‘লগইন পাসওয়ার্ড’ ও ‘ইউজার নেম’ ফেসবুক কাউকে সরবরাহ করে না। তবে পরিবারের কোনো সদস্য চাইলে ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অ্যাকাউন্টটি মুছে ফেলতে বা ফেসবুক মেমোরিয়াল পেজে রূপান্তর করতে পারেন।
ইয়াহুর নীতিমালা সবচেয়ে কঠোর। কারও মৃত্যু হলে ইয়াহু কর্তৃপক্ষ কখনো লগইন করার তথ্য দিতে বাধ্য নয়।
তবে জি-মেইল ও হটমেইল কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে মেইল করলে আলাদা একটি সিডিতে করে তথ্য সরবরাহ করে কর্তৃপক্ষ। তবে গুগল ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে আরও সহজতর করতে সাম্প্রতিক পদক্ষেপ হিসেবে ব্যবহারকারীদের আগেভাগেই তথ্যের ভবিষ্যত্ নির্ধারণের সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
অবশ্য, কোনো ওয়েবসাইটেই ডিজিটাল সম্পদের তথ্য জমা না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
গবেষকেরা বলেন, অনলাইনে প্রকাশিত তথ্য কখনো চিরতরে মুছে ফেলা সম্ভব হয় না। এটি শুধু হাতবদল হয়ে রূপ বদলাতে পারে। তথ্য রিসাইকেল করে নানাভাবে ব্যবহূত হতে থাকে।

ডিজিটাল সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জেমস ল্যামের পরামর্শ:
১. আপনার মূল্যবান ছবি, স্মৃতি একটি পেনড্রাইভে সংরক্ষণ করে রাখুন।
২. আপনার ডিজিটাল সম্পদের ওয়ারিশ বা দাবিদার আগে থেকে নির্ধারণ করে রাখুন।
৩. আপনার ডিজিটাল সম্পদ বা সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট, অনলাইন ব্যাংক, বিনিয়োগ, গেম বা অন্যান্য ভারচুয়াল প্রোফাইলের একটি তালিকা তৈরি করে রাখুন। এসব ওয়েবসাইটের ইউজার নেম, পাসওয়ার্ডসহ দরকারি তথ্য তালিকা করে রাখুন। আপনার অবর্তমানে এ সম্পদগুলোর মালিকানা কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণ করে রাখুন বা সম্পদ কী করা হবে, তার নির্দেশনা দিয়ে রাখুন।
৪. আপনার উইল লেখার সময় ডিজিটাল সম্পদের কথাও উল্লেখ করে যান।
৫. আপনার ভারচুয়াল সম্পদগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করুন এবং তা ভালো কাজে লাগানোর প্রত্যাশা করুন বা আপনার অবর্তমানে চিরতরে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিন আপনার ডিজিটাল সম্পত্তির দাবিদারকে।

Sunday, February 1, 2015

$৪০০ ডলার মূল্যের গুগল আর্থ সফটওয়্যারটি নিয়ে নিন সম্পূর্ণ ফ্রিতে। গুগল নিজেই গুগল আর্থ সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে দিচ্ছে। তাহলে দেরি কেন?

গত এক দশক ধরে গুগল আর্থ প্রো সফটওয়্যারটি খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সফটওয়ারটির মূল্য ৪০০ ডলার। ব্যবসায়ী, বিজ্ঞানী ও শৌখিন ভ্রমণবিলাসীরা বেড়াতে যাওয়া থেকে শুরু করে বৈজ্ঞানিক অনেক কাজ করতে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার হয়ে আসছে।
থ্রিডি, প্রিন্টিং এসব কাজে ব্যবহার করা যায় এই গুগল আর্থ প্রো।
এই জনপ্রিয় সফটওয়্যারটি এখন মুক্ত সফটওয়্যার হিসেবে ঘোষণা দিল গুগল কর্তৃপক্ষ। ফলে এর সুবিধা এখন থেকে সবাই পাবেন।
এই সফটওয়্যার কি কাজে লাগে?

গুগল আর্থ
এটার উত্তর পেতে গুগল আর্থ প্রো সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে দেখতে বলেছেন গুগল কর্তৃপক্ষ। এটি আসলেই অসাধারণ। ফ্রিতে আপনি এই সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী পাবেন।

গুগল প্রো ভার্চুয়াল ভ্রমণের জন্যই নয়, এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ট্রাফিক তথ্য ও ভূতাত্ত্বিক, সৌর গবেষণা করার কাজেও
গুগল প্রো ভার্চুয়াল ভ্রমণের জন্যই নয়, এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ট্রাফিক তথ্য ও ভূতাত্ত্বিক, সৌর গবেষণা করার কাজে ছাড়াও আরও অনেক কাজে ব্যবহার  করা হয়।

কীভাবে পাবেন-

  • প্রথমে গুগলের এই লিংক থেকে ফর্মটি পুরন করে সফটওয়্যারটির সিরিয়াল কী ডাউনলোড করে নিন।
  • তারপর আবার গুগলের এই লিংক থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
  • প্রথম লিংকে কোন ভুল তথ্য দিবেন না, ভুল তথ্য দিলে কী পাবেন না।

নতুন গুগল আর্থ

আপনার কম্পিউটারের কনফিগারেশন যা থাকলে সফটওয়্যারটি চলবে-

সব কম্পিউটারে গুগল আর্থ সফটওয়্যারটি চলবে না। মিনিমাম নিচের কনফিগারেশন থাকতে হবে,
  • কমপক্ষে ২.৪ গিগাহার্টজের পেন্টিয়াম ৪ প্রসেসর
  • হার্ড ডিস্কে ২ জিবি খালি জায়গা
  • ১ জিবি র‍্যাম
  • উইন্ডোজ ৭ বা ৮ এর যেকোনো অপারেটিং সিস্টেম
  • আর ম্যাকের ক্ষেত্রে ওএসএক্স ১০.৬. ৮ বা তার পরবর্তী যেকোনো ভার্সনে চলবে।
এটা ব্যবহারকারীদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ। গুগল কর্তৃপক্ষ আসলেই দারুণ ডিসিশন নিলেন। আমরা অনেক উপকৃত হবো।
কি তাহলে ব্যবহার করুন গুগল আর্থ বিনামূল্যে আর ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না গুগল কর্তৃপক্ষকে।

Tuesday, January 27, 2015

আসুন জেনে নিই “গুগল” এর একটি মজার ট্রিক্স… ! ! মজার গুগল ! !

  • হোটেলে খেতে গিয়েছেন! খাওয়ার পর ঠিক কতটাকা টিপ দেয়া উচিৎ আপনি বুঝতে পারছেন না? গুগল আছে না! আপনার কোন চিন্তা নেই! শুধু মাত্র গুগলের সার্চবারে লিখুন, 'tip calculator', এবং সাথে সাথেই আপনি গুগলের টিপ ক্যালকুলেটর পেয়ে যাবেন।
2